প্রিয় দেশবাসী, আসসালামু আলাইকুম।
অনেক প্রতীক্ষার পর মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া আবার চালু হয়েছে। আপনারা ইতোমধ্যে জেনেছেন যে বাংলাদেশ থেকে নির্দিষ্টসংখ্যক এজেন্সি এ কার্যক্রমে অংশ নেবে। বিষয়টি নিয়ে অনেক তথ্য অনলাইনে প্রচার হচ্ছে। আজ আমি আপনাদের সঙ্গে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও সতর্কবার্তা শেয়ার করতে চাই।
JTC-ও এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে BOESL-এর মাধ্যমে যুক্ত রয়েছে। BOESL হলো বাংলাদেশ সরকারের একটি সরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি। প্রথমেই BOESL-কে ধন্যবাদ জানাই, তারা JTC-কে তাদের অংশীদার হিসেবে নির্বাচন করেছে। আমি সবসময় বিশ্বাস করি, দেশের মানুষের সেবা করাই সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। আমার কাছে শুধুমাত্র আর্থিক লাভ নয়, বরং দেশের মানুষের কল্যাণই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমি চাই বাংলাদেশের মানুষ স্বল্প খরচে, এমনকি সম্ভব হলে বিনা খরচে, নিরাপদ ও বৈধভাবে মালয়েশিয়ায় কর্মসংস্থানের সুযোগ লাভ করুক।
আপনারা কোনো ধরনের গুজব বা তাড়াহুড়ার বশে কোনো এজেন্সির কাছে পাসপোর্ট জমা দেবেন না কিংবা অর্থ লেনদেন করবেন না। ধৈর্য ধরুন এবং পুরো বিষয়টি ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করুন। সরকারি ঘোষণা, নীতিমালা এবং আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা প্রকাশের পরই সিদ্ধান্ত নিন। কারণ এখনো সরকার থেকে চূড়ান্তভাবে সব কার্যক্রম শুরু করার ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
যেহেতু JTC, BOESL-এর অধীনে একটি রিক্রুটিং এজেন্সি হিসেবে কাজ করছে, তাই BOESL যদি বিনা খরচে কর্মী পাঠানোর কার্যক্রম পরিচালনা করে, JTC-ও একই নীতিমালা অনুসরণ করবে। আমাদের লক্ষ্য সবসময় সরকারের নির্দেশনা ও BOESL-এর নিয়ম-কানুন মেনে দেশের মানুষের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা।
সবাই সচেতন থাকুন, সঠিক তথ্যের ওপর নির্ভর করুন এবং নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করুন।

